পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

মহুয়া মৈত্রকে কেন্দ্র করে প্রহসনের রাজনীতিতে বিজেপির একটাই লাভ, তাঁরা একদম নীচের তলায় এই বার্তা পৌছতে সক্ষম হবে, যে আদানির দুর্নীতির থেকেও বড়, মহুয়া মৈত্রর টাকা নিয়ে প্রশ্ন করার দুর্নীতি। তিনি টাকা নিন অথবা না নিন, বিজেপি কিন্তু এই প্রচারটাই করবে, তাঁদের পোষা গোদী মিডিয়া মারফত। তাহলে সামনে কী ? এই মহিলা সাংসদের জন্য কি বন্ধ হতে চলেছে, সংসদের দরজা? মোদী এবং আদানিই কি জিতে যাবেন এই লড়াই, নাকি সত্যিটা প্রকাশ পাবে একদিন?

Read more


এমনিতে শ্রীমতী মহুয়া মৈত্রকে বিজেপি তাঁর তীক্ষ্ণ ভাষণের জন্য দুচোক্ষে দেখতে পারে না। তাঁকে লোকসভা থেকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েও তাঁদের সাধ মেটেনি, ইডি সিবিআই লেলিয়ে জেলে না পুরলে শান্তি নেই আর সে কথা ওই টেলিফোন বাৰ্তালাপেও শুনিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁর মতো জোরালো প্রার্থীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয়হীন কোথাকার এক রাজপরিবারের না জানি কতপুরুষের প্রতিনিধিকে খাড়া করতে গেলে যে একটা এড অন ন্যারেটিভের ঠেকনো তো দরকারই। নইলে শ্রীমতী মহুয়া মৈত্রর ড্যাং ড্যাং করে জেতা দাঁড়িয়ে দেখতে হয় যে।

Read more


মব ভায়োলেন্সের শিকার হয় আর্থিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও লিঙ্গ রাজনীতির প্রান্তিক লোকজনেরা। ভারতে ডাইনি সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা নতুন কোনও বিষয় নয়। কোনো নারী একটু নিয়মের বাইরে গিয়ে বিরুদ্ধাচরণ করলেই তাকে দাগিয়ে দাও চরিত্রহীন বলে আর সেই নারীর বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলো উন্মত্ত জনতাকে। রাজনৈতিক নেতাদের মদতে বাড়তে থাকা ঘৃণার আবহে ডিম ছুঁড়ে মারা, কাউকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর স্বাভাবিক বলে মান্যতা পেলে তার ফল ভুগতে হবে কিন্তু সবাইকেই।

Read more